দলে দলে আনোয়ারার জনসভাস্থলে আসছে মানুষ

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসমাবেশকে কেন্দ্র করে দলে দলে জনসভাস্থলে আসছেন আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

- Advertisement -

শনিবার (২৮ অক্টোবর) ভোর ৫টা থেকেই নেতাকর্মীদের পদচারনায় মুখরিত জনসভাস্থল কর্ণফুলী উপজেলার কোরিয়ান ইপিজেড মাঠ।

- Advertisement -google news follower

দলীয় সভানেত্রীর আগমন উপলক্ষ্যে গতকাল শুক্রবার বিকেল থেকেই কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ির ও ফেনীসহ আশেপাশে অনেক জেলার নেতাকর্মী চট্টগ্রামে প্রবেশ করেছে। তারা নগরে ও কর্ণফুলী, আনোয়ারা আশপাশের হোটেলে রাত্রিযাপন করেছেন বলে জানা গেছে।

জনসভায় আর কিছুক্ষণ পরেই প্রধান অতিথির ভাষণ দিবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জনসভাকে কেন্দ্র করে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে আনোয়ারা জুড়ে।হলুদে হলুদে ছেয়ে গেছে আনোয়ারা উপজেলার পুরো বৈরাগ এলাকা।

- Advertisement -islamibank

জনসভায় বিভিন্ন ধরনের ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড নিয়ে প্রবেশ করছেন দলের কর্মী-সমর্থকরা। নানা স্লোগানে মুখরিত জনসভাস্থল। বঙ্গোপসাগরের কূল ঘেঁষে আয়োজিত এ জনসভায় এরই মধ্যে হাজার হাজার মানুষ ইতিমধ্যে উপস্থিত হয়েছেন।

পটিয়া উপজেলার মুজাফরাবাদ থেকে আসা সজল সেন বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি একনজর দেখার জন্য আগে আগেই চলে এসেছি। সামনে সামনে থাকবো। পরে ভীর হলে তো প্রধানমন্ত্রীকে দেখার সুযোগ মিস হয়ে যেতে পারে। এজন্য সকাল সকাল চলে এসেছি।

এদিকে, শেখ হাসিনাকে বরণ করে নিতে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলা সাজিয়ে আলো ঝলমলে করা হয়েছে। পুরো উপজেলার বিভিন্ন সড়ক পথে নির্মাণ করা হয়েছে তোরণ। সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের ফিরিস্তি তুলে ধরে সাঁটানো হয়েছে ব্যানার ফেস্টুন। সব মিলিয়ে সাজ সাজ রব বিরাজ করছে আনোয়ারায়।

জনসভা উপলক্ষে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠান মঞ্চ প্রাঙ্গণে ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে।

সেনাবাহিনীর সদস্য, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) ও পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট এবং এসএসএফ সদস্যরা জনসভাস্থলে অবস্থান নিয়েছেন।

বিশাল সমাবেশে প্রায় ১০ লাখ মানুষ যোগ দেবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান।

তিনি জানান,আর অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পতেঙ্গায় কর্ণফুলী নদীর পশ্চিম তীরে একটি ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল’ উদ্বোধন করবেন।

টানেল উদ্বোধনের পর চট্টগ্রামবাসীর জন্য নেওয়া সরকারের আরও একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এরপর টানেল পার হওয়ার পর আনোয়ারা নদীর দক্ষিণ তীরে আরেকটি ফলক উন্মোচন করবেন।

এর মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থায় আরেকটি নতুন মাইলফলক টানেল যুগে প্রবেশ করবে বাংলাদেশ। নদীর তলদেশ দিয়ে রোমাঞ্চকর যাত্রার স্বাদ নিতে পারবে জনসাধারণ।

জেএন/রাজীব

KSRM
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জয়নিউজবিডি.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন news@joynewsbd.com ঠিকানায়।

এই বিভাগের আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ

×KSRM