লকডাউনে অচল রেড জোন বান্দরবান

0

লকডাউনে অচল রেড জোন বান্দরবান ও লামা পৌরসভা। প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, জনপ্রতিনিধি এবং প্রায় তিন শতাধিক স্বেচ্ছাসেবকের ভূমিকায় হাট-বাজার, পাড়া-মহল্লায় কোথাও কোনো দোকানপাট খোলা নেই। সবধরণের যানবাহন চলাচলও বন্ধ রয়েছে রেজ জোন এলাকায়।

রোববার (২৮ জুন) লকডাউনের চতুর্থ দিনেও রাস্তাঘাট ছিলো ফাঁকা। কোথাও আড্ডা দিতে দেখা যায়নি মানুষদের। খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া মানুষদের বের হতে দেখা যায়নি পৌর এলাকাগুলোতে। তবে যথারীতি খোলা ছিলো ওষুধের দোকান। স্বাভাবিক ছিলো পণ্যবাহী যানবাহন চলাচলও।

স্বেচ্ছাসেবক ওমর ফারুক ও মাহাবুব বিন ফয়সাল জয়নিউজকে বলেন, লকডাউন কার্যকরে মেয়র ও  কাউন্সিলরদের দিকনির্দেশনায় আমরা মাঠে কাজ করছি। অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করছি। লকডাউনে ঘরবন্দি মানুষদের প্রয়োজনীয় জরুরি ওষুধপত্র কিনে বাসায় পৌঁছে দিচ্ছি। লকডাউনে রেড জোনের মানুষদের মাইকিং করে ঘরে থাকার পরামর্শ দিচ্ছি। নিজ নিজ এলাকার মানুষদের প্রয়োজনীয় সবধরণের জিনিসপত্র বাসায় পৌছে দেওয়ার সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি।

বান্দরবান পৌরসভার মেয়র মো. ইসলাম বেবী ও লামা পৌরসভার মেয়র জহিরুল ইসলাম জয়নিউজকে বলেন, পৌর অঞ্চলের নয়টি ওয়ার্ডেই স্বেচ্ছাসেবকরা রয়েছেন। এলাকায় এলাকায় বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে অভ্যন্তরীন সবগুলো সড়কের মুখ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অকারণে মানুষদের ঘর থেকে বের হতে দেওয়া হচ্ছেনা।

সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক ঘরবন্দি মানুষের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র স্বেচ্ছাসেবকরাই বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছে। নয়টি ওয়ার্ডের প্রবেশপথগুলো শুধুমাত্র এ্যাম্বুলেন্স, প্রশাসন-আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গণমাধ্যম, ভ্রাম্যমাণ কাঁচাবাজার, হোম ডেলিভারী পণ্যের গাড়ি যাবার জন্য খুলে দেওয়া হয়।

বান্দরবানের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. শামীম হোসেন জয়নিউজকে বলেন, লকডাউনে বান্দরবান ও লামা দুটি পৌরসভাকে সম্পূর্নভাবে অচল করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া এ লকডাউন ২১ দিন পর্যন্ত চলবে। লকডাউন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।

জয়নিউজ/আলাউদ্দিন/বিআর
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...