লকডাউনে লুকোচুরি খেলছেন শিল্প মালিকরা: মেয়র নাছির

0

চট্টগ্রামে প্রথম রেডজোন হিসেবে লকডাউন চলছে ১০নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডে। অথচ এখানে নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে অবাধে লোকজন ভেতরে ঢুকছে এবং বাইরে বের হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে লকডাউন চলাকালীন সময়ে কিছু কিছু শিল্পপ্রতিষ্ঠান চালু রাখার অভিযোগ তুলেছেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন।

মেয়র বলেন, শ্রমিকদেরকে কর্মস্থলে উপস্থিত হওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। শ্রমিকদেরকে চাকরিচ্যুত, বেতন বঞ্চিত করারও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে চাপে থাকা শ্রমিকরা বাধ্য হয়ে কাজে যোগদান করছে।

তিনি বলেন, শিল্পপ্রতিষ্ঠান মালিকরা আমাদেরকে বলছেন এক কথা আর বাস্তবে করছেন উল্টোটা। তারা লকডাউনে লুকোচুরি খেলছেন, এটি বন্ধ করা হবে।

শনিবার (২০ জুন) লকডাউন কার্যকরের চতুর্থ দিনে উত্তর কাট্টলী এলাকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে গিয়ে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এসব কথা বলেন। এ সময় মেয়র বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন এবং এলাকাবাসীকে করোনা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক নির্দেশনা দেন।

মেয়র বলেন, উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ড এলাকার ছয় হাজার পরিবারকে খাদ্যসহায়তা প্রদানের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। লকডাউনের প্রথম দিনই দুই হাজার পরিবারের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় কাউন্সিলর গত দুইদিনে প্রায় সাড়ে চারশ পরিবারে এ সহায়তা বিতরণ করেছেন।

এলাকায় করোনা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, গত ১৮ জুন আইইডিসিআরের পক্ষ থেকে দুইজন চিকিৎসককে পাঠানো হয়েছে লকডাউন এলাকার স্বেচ্ছাসেবকদেরকে প্রশিক্ষণের জন্য। রোববার থেকে স্বেচ্ছাসেবকদের প্রশিক্ষণ শুরু হবে। এক ওয়ার্ডের ২০ জন করে তিন ওয়ার্ডের মোট ৬০ স্বেচ্ছাসেবককে এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

‘আক্রান্তদের কনটাক্ট ট্রেসিং, নমুনা সংগ্রহকারীদেরকে সহায়তা, লকডাউন শতভাগ বাস্তবায়নে জনগণকে উদ্বুদ্ধকরণসহ নানামুখী কাজ করবে এ স্বেচ্ছাসেবক দল। তবে সংগৃহীত নমুনার যাতে নিয়মিত পরীক্ষা কার্যক্রম গতিশীল হয় সে ব্যাপারে স্বাস্থ্য দফতরকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। দিনের পরীক্ষার ফলাফল দিনে প্রকাশে সংশ্লিষ্টদেরকে সক্রিয় হতে হবে।’

এ সময় কাউন্সিলর নিছার উদ্দিন আহমদ মঞ্জু, সংরক্ষিত কাউন্সিলর আবিদা আজাদসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জয়নিউজ/এসআই
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...