ঈদের আনন্দের চেয়ে বেঁচে থাকাই বড় চ্যালেঞ্জ

0

করোনা পরিস্থিতিতে ঈদের আনন্দের চেয়ে বেঁচে থাকাটাকে বড় চ্যালেঞ্জ মনে করছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, আমরা দুটো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছি। করোনা সংক্রমণ রোধ ও চিকিৎসা এবং সুপার সাইক্লোন আম্ফানের ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা ও পুনর্বাসন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সাইক্লোন পরবর্তী পুনর্বাসন তৎপরতা ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। তিনি দুর্যোগের অমানিশার আলো হাতে আঁধারের সাহসী কাণ্ডরী।

ওবায়দুল কাদের শুক্রবার (২২ মে) তার বাসভবন থেকে মধুর ক্যান্টিনে স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের উদ্যোগে অসহায় গরিব মানুষের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণের সময়ে ভিডিও কনফারেন্সে সংযুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন।

করোনা প্রাদুর্ভাবে কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এবার এক ভিন্ন বাস্তবতা ঈদুল ফিতর আসন্ন। ঈদের আনন্দ উদযাপনের চেয়ে বেঁচে থাকার লড়াই আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বেঁচে থাকলে আমরা ভবিষ্যতে ঈদ উদযাপনের অনেক সুযোগ পাবো। এখন করোনা বিরোধী লড়াইয়ে আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পালন করি, স্থানান্তর না করি, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি।

কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও নিবিড় তত্ত্বাবধানে চলছে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পুনর্বাসন। সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ করে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রশাসনকে উপদ্রুত এলাকায় উদ্ধার তৎপরতা, পুনর্বাসন ও চিকিৎসা সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। বেড়িবাঁধ মেরামতের কাজ করছেন। পাশাপাশি পুলিশ ও অন্যান্য সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো একযোগে কাজ করে চলছে।

তিনি বলেন, যে কোনও দুর্যোগে বাংলাদেশ থেমে থাকেনি। প্রতিকূলতা ডিঙিয়ে মর্যাদার সঙ্গে মাথা তুলে দাঁড়ানো একদেশ বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা করোনা সংকট ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করবো।

করোনা সংকটে আওয়ামী লীগের ত্রাণ তৎপরতা কথা তুলে ধরে সাধারণ সম্পাদক বলেন, করোনা সংকটে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের তৎপরতা বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। মাটি ও মানুষের দল অতীতে মানুষের সঙ্গে ছিল, এখনও আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগ ছিন্নমূল শিশু, ভাসমান মানুষের মাঝে ঈদের আগে উপহার সামগ্রী বিতরণ করছে যা প্রশংসনীয় উদ্যোগ।

জয়নিউজ/এসআই
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...