ডেঙ্গু প্রতিরোধে নগরবাসীর সহযোগিতা চাইলেন মেয়র

0

চিকনগুনিয়া, ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) বিশেষ ক্রাশ প্রোগ্রামের পাশাপাশি নগরবাসীর সহযোগিতা চেয়েছেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। তিনি নগরবাসীকে বাসা-বাড়ি, প্রতিষ্ঠান ও এলাকার বিভিন্ন জায়গার ঝোপঝাড় পরিষ্কার করে মশার প্রজনন ক্ষেত্র ধ্বংস করে ফেলার আহ্বান জানান।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) মেয়রের ব্যক্তিগত ফেসবুক পেইজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মেয়র এ আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে মেয়র বলেন, মশকনিধন কার্যক্রম শতভাগ নিশ্চিতকরণের ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে প্রতি ওয়ার্ডে জীবাণুনাশক পানি ছিটানোর পাশাপাশি মশানিধন কার্যক্রমও শুরু করা হয়েছে।

মেয়র বলেন, পরিষ্কার ও বদ্ধ পানি এডিস মশার প্রজনন ক্ষেত্র। তাই বাসাবাড়ির আশপাশে ডাবের খোসায়, ফুলের টবে, ছাদে, ফ্রিজের নিচের ট্রেতে যাতে পানি জমে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। চসিকের পক্ষ থেকে প্রাপ্তবয়স্ক মশা নিধনের জন্য অ্যাডাল্টিসাইড এবং মশার লার্ভা (ডিম) ধ্বংসের জন্য লার্ভিসাইড ওষুধ ছিটানো হচ্ছে। ফগার মেশিনের পাশাপাশি হ্যান্ড স্প্রে মেশিনের সাহায্যে ১০ লিটার পানিতে ১০ সিসি লার্ভিসাইড মিশিয়ে দ্রবণ তৈরিপূর্বক স্প্রে জোরদার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এখনই এডিস মশা বংশবৃদ্ধির উপযুক্ত সময়। ভারীবর্ষণ কিংবা থেমে থেমে বৃষ্টি হওয়ার কারণে বাড়ির আশপাশ, ফুলের টব, আবর্জনা ফেলার পাত্র, প্লাস্টিকের পাত্র, পরিত্যক্ত টায়ার, প্লাস্টিকের ড্রাম, মাটির পাত্র, বালতি, টিনের কৌটা, ডাবের খোসা, নারিকেলের মালা, ব্যাটারি শেল, পলিথিন, চিপসের প্যাকেট এবং নালা-নর্দমায় জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে এডিস মশার প্রজনন বৃদ্ধি পেতে পারে। এক্ষেত্রে জনসচেতনতার বিকল্প নেই।

তিনি আরো বলেন, বিশেষ মশকনিধন অভিযান উদ্বোধনের পর নগরের ৪১ ওয়ার্ডে ১২০ জন শ্রমিক ওষুধ ছিটানো শুরু করেছে। এবার ২ কোটি টাকার ২৫ হাজার লিটার অ্যাডাল্টিসাইড, ১০ হাজার লিটার লার্ভিসাইড ওষুধ ক্রয় করা হয়েছে। চসিকে ১১০টি জার্মানির ফগার মেশিন ও ৩৫০টি হ্যান্ড স্প্রে মেশিন রয়েছে। প্রতিবছর সেপ্টেম্বর থেকে মে পর্যন্ত মশকনিধন কার্যক্রম চললেও এবার চিকনগুনিয়া ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করছে চসিক।

জয়নিউজ/এসআই
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...