রামুতে ১৪শ’ দরিদ্রের পাশে ইউএনও

0

করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রামুতে চলছে অঘোষিত লকডাউন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারিতে ও করোনাভাইরাস আতঙ্কে কর্মহীন হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ। এ অবস্থায় খাদ্য ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী নিয়ে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা দরিদ্রদের দরজায় দরজায় যাচ্ছেন ইউএনও প্রণয় চাকমা।

গত তিনদিনে রামুর ছয় ইউনিয়নের ১৪ শত নিম্নআয়ের মানুষের ঘরে ঘরে ত্রাণ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১ এপ্রিল) একদিনে রামুর জোয়ারিয়ানালা, রশিদনগর ও রাজারকুল ইউনিয়নের ৫শ’ অসহায় পরিবারের মধ্যে এসব সামগ্রী বিতরণ করেন তিনি।

 

ইউএনও প্রণয় চাকমা বলেন, সোমবার থেকেই শুরু হয়েছে অসহায়-অনাহারী মানুষের দরজায় গিয়ে খাদ্য ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম। আজ বুধবার পর্যন্ত উপজেলার ৬ ইউনিয়নের ১ হাজার ১শ’পরিবারকে ১০ কেজি করে চাল এবং ৩শ’ পরিবারকে ১ লিটার তেল, ২ কেজি আলু, ১ কেজি ডাল, ১ কেজি লবণ ও ১টি করে সাবান দেওয়া হয়েছে। সামনে আরও বড় পরিসরে অপর ৫ ইউনিয়নসহ সবইউনিয়নের নিম্নআয়ের মানুষের দরজায় দরজায় গিয়ে খাদ্যদ্রব্য বিতরণ করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ি রামুতে নিম্নআয়ের কোনো মানুষ অভুক্ত থাকবে না।

ইউএনওর ত্রাণ পেয়ে কেঁদেই দিলেন রামুর রশিদনগর ইউনিয়নরে খাদেমেরপাড়া এলাকার হতদরিদ্র আছিয়া খাতুন ও মালেকা বেগম।
মালেকা বেগম জয়নিউজকে বলেন, এক সপ্তাহেরও বেশী হলো কেউ কাজ বন্ধ। খুব চিন্তায় ছিলাম। খাবার ছিল না ঘরে। ত্রাণ পেয়ে ভাল লাগল। ক’দিন খেতে পারব।

রশিদনগর আশ্রায়ণ প্রকল্প গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা রিকশাচালক বশির আহম্মদ ও আলী মিয়া তারা ব্যাটারিচালিত রিকশা চালিয়ে আয় করেন।
তারা বলেন, রাস্তায় এমন ফাঁকা হরতালেও দেখিনি। সেনাবাহিনী রাস্তায় রিকশা চালাতে দেয়না। এক সপ্তাহে কোনো টাকা আয় করতে পারিনি। ১০ কেজি করে চাল পেয়েছি, অনেক উপকার হবে।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল শামশুদ্দিন আহমেদ প্রিন্স, রশিদনগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এম ডি শাহ আলম, রাজারকুল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মুফিজুর রহমান, উপজেলা উপসহকারি প্রৌকশলী মো. আলাউদ্দিন, রামু থানার এস আই অশোক চন্দ্র হালদার, এনএসআই আবু হানিফ ও রামু রিপোর্টার্স সোসাইটির সাবেক সভাপতি সোয়েব সাঈদ প্রমুখ।

জয়নিউজ/খালেদ/বিআর
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...