করোনা: বিসিজি টিকায় বাঁচবে বাংলাদেশ

0

বাংলাদেশের যেকোনো শিশু জন্মগ্রহণের পর নিয়মিতভাবে দেওয়া হয় টীকা। যেগুলো পরিচিত বিসিজি টিকা নামে। শিশুদের বাম হাতে দেওয়া হয় এই টিকা। এই টিকা নেওয়া অসংখ্য  মানুষের বাম হাতে এখনো রয়ে গেছে দাগ। তবে আধুনিক সময়ে জন্ম নেওয়া শিশুরা এই টিকা নিলেও দাগের দুর্ভোগ তাদের থাকে না।

তবে সাম্প্রতিক এক গবেষণা দিয়েছে বিস্ময়কর এক তথ্য। গবেষক দলের দাবি, যারা বিসিজি টিকা দিয়েছে তাদের কাবু করতে পারবে না করোনাভাইরাস! গবেষণা প্রমাণে পরিসংখ্যান তুলে ধরেছেন তারা।

এই গবেষণা যদি শতভাগ সত্য প্রমাণিত হয় তাহলে সৌভাগ্যবান দেশের তালিকায় থাকবে বাংলাদেশও! কারণ এখানকার সব মানুষই যে দিয়েছে বিসিজি টিকা।

বিভিন্ন দেশের করোনা আক্রান্ত রোগীদের প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে গবেষণাটি চালিযেছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি কলেজ অফ অস্টিওপ্যাথিক মেডিসিন।

এ বিষয়ে নিউইয়র্ক ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি কলেজ অফ অস্টিওপ্যাথিক মেডিসিনের পক্ষ থেকে বলা হয়, পৃথিবীর যেসব দেশে বিসিজি টিকাদান কর্মসূচি নেই যেমন ইতালি, নেদারল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তবে দীর্ঘস্থায়ী টিকাদান কর্মসূচি যেসব দেশে চালু আছে ওইসব দেশের মানুষের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা কম।

গবেষণাটিতে দাবি করা হয়, বিসিজি টিকা আসার পর থেকে বিশ্বে মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। যেমন মৃত্যুর হার বেশি হওয়ায় ১৯৮৪ সালে বিসিজি কার্যক্রম শুরু করে ইরান। দেশটিতে বিসজি টিকা দেওয়া মানুষের মধ্যে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি তেমন একটা পাওয়া যায়নি। এছাড়া ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রে বিসিজি টিকা না দেওয়ার কারণে চীন এবং ভারতের চেয়ে করোনায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে গবেষণায় দাবি কর হয়। কারণ চীন এবং ভারতে বহুকাল ধরে বিসিজি টিকার প্রচলন রয়েছে।

আর এমন দাবির সঙ্গে মিলে যাচ্ছে বর্তমান পরিস্থিতিও । চীন থেকে করোনাভাইরাসের উৎপত্তি হলেও এই ভাইরাসে সবচেয়ে বেশি মারা গেছে ইতালিতে। আর সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে।

বিশ্বে এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ৮ লাখ ৩ হাজার ১৮০ জন। মারা গেছেন ৩৯ হাজার ৩৩ জন।

জয়নিউজ/পিডি

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...