মিলিটারি একাডেমি অত্যাধুনিক ও আন্তর্জাতিক একাডেমিতে পরিণত হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

0

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি আজ একটি অত্যাধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন একাডেমিতে পরিণত হয়েছে। জাতির পিতার হাতে যে সেনাবাহিনীর যাত্রা শুরু হয়েছিল তার সুনাম আজ বহির্বিশ্বেও ছড়িয়ে পড়েছে।

সর্বোচ্চ ত্যাগের বিনিময়ে হলেও দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করাই হবে সেনাবাহিনী পেশাগত জীবনের প্রধান ব্রত।
বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি বিএমএ’র ৭৭তম দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের অফিসার ক্যাডেটদের কমিশন প্রাপ্তি উপলক্ষে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

রোববার (২৯ ডিসেম্বর) চট্টগ্রামে ভাটিয়ারিতে এ কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় তিনি আরও বলেন, তোমাদের মনে রাখতে হবে, তোমরা এ দেশের সন্তান, জনগণের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই তোমাদের সাধারণ মানুষদের সুখ-দুঃখ ও হাসি-কান্নার সমান অংশীদার হতে হবে। সুযোগ্য নেতৃত্বে, সার্বিক দিক নির্দেশনা, পেশাদায়িত্ব দেশপ্রেম ও আন্তরিকতার মাধ্যামে তোমাদের দেশের সেবা করে যেতে হবে।

দক্ষিণ এশিয়ার উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি দেশকে দারিদ্র্য ও ক্ষুধামুক্ত দেশ হিসাবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। বহির্বিশ্বে বাংলাদেশ এখন রোল মডেল বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

এবার ব্যাটালিয়ন সিনিয়র আন্ডার অফিসার সাবির নেওয়াজ শাওন সেরা চৌকস ক্যাডেট হিসেবে সোর্ড অব অনার এবং কোম্পানি সিনিয়র আন্ডার অফিসার মো. বরকত হোসেন সামরিক বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্বের জন্য ‘সেনাবাহিনী প্রধান’ স্বর্ণপদক লাভ করেছেন।

বেলা সাড়ে ১২টার দিকে প্রধানমন্ত্রী বিএমএ প্যারেড গ্রাউন্ডে পৌঁছালে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান। পরে প্যারেড গ্রাউন্ডে কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ শেষে ক্যাডেটদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

এবারের কুচকাওয়াজে ২৩৪ জন বাংলাদেশী, ২৯ জন সৌদি, একজন করে ফিলিস্তিনি ও শ্রীলংকান ক্যাডেটসহ সর্বমোট ২শ’ ৬৫জন ক্যাডেট কমিশন লাভ করেছেন। বাংলাদেশী ক্যাডেটদের মধ্যে ২শ’ ৭ জন পুরুষ ও ২৭ জন মহিলা অফিসার।

জয়নিউজ/হিমেল/বিআর
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...