সংস্কারের ৩ মাস পর সুরক্ষা ব্লকে ফাটল

0

রাউজান ও হাটহাজারী সংযোগে হালদা নদীর উপর স্থাপিত হালদা সেতুর গোড়ায় সুরক্ষা ব্লকের সংস্কার কাজের তিনমাস যেতে না যেতে আবারো ফাটল ও ধস দেখা দিয়েছে।

হালদা খরস্রোতা নদী হওয়ায় এর সুরক্ষা ব্লক কোনোভাবেই রাখা যাচ্ছে না। সুরক্ষা ব্লকে ফাটল ও ধস দেখা দিলে হালদা সেতু রক্ষায় সড়ক ও জনপথ বিভাগ ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে সেতুর সুরক্ষা ব্লক সংস্কার করে।

এদিকে সড়ক ও জনপদ বিভাগ নদী শাসন করে না, পানি উন্নয়ন বোডর্কে পুরো এলাকায় ব্লক ফিটিং করার জন্য দেড়মাস আগে জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক ও জনপদ বিভাগ।

স্থানীয়রা জানান, সেতুর পূর্বপার্শ্বে ভাঙন সৃষ্টি হওয়ায় পাথর ব্লক ধসে যাচ্ছে। পাথর ব্লকের ধসের কারণে উপরে পেলেস্তারে ফাটল ও কয়েকটি ব্লক সরে গেলেও আগামী বর্ষা মৌসুমে সেতুটি হুমকির মুখে পড়বে।

সরেজমিনে দেখা যায়, হালদা সেতুর গোড়ায় সুরক্ষা ব্লক সরে যাওয়ার স্থানে ধস ঠেকাতে লোহার পাইপ স্থাপন ও পাথর ব্লক বসানো হয়েছে। তবে সংস্কার করা স্থানে আবারো ফাটল দেখা দিয়েছে। এতে কয়েকটি পাথর ব্লকও সরে গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, গত বর্ষা মৌসুমে সেতু সুরক্ষা ব্লকের ধস হওয়ার পর ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে সংস্কার করেছিল সড়ক ও জনপদ বিভাগ। চলতি বছরের ১৪ আগস্ট থেকে সেতু রক্ষায় সংস্কারকাজ শুরু করে অক্টোবর মাসে কাজ শেষ হয়।

এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম সড়ক ও জনপদের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী জুলফিকার আহমেদ জয়নিউজকে বলেন, গত বর্ষা মৌসুমে প্রবল স্রোতে হালদা নদীর ভাঙনে সেতুর নিচে এপ্রোচ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে এটি সংস্কার করা হয়। এটা কোনোভাবেই রাখা যাচ্ছে না। আমরা গত দেড়মাস আগে রাঙামাটি বিভাগের মাধ্যমে পানি উন্নয়ন বোর্ডেকে জানিয়েছি। পুরো এলাকায় ব্লক ফিটিং করতে হবে। আমাদের বিভাগ তো নদী শাসন করে না, এতবড় কাজ আমাদের পক্ষে সম্ভবও না।

৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে সংস্কার কাজ ৩ মাসও টিকলো না কেন- এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা সংস্কারকাজ না করলে সেতুসহ পুরো জায়গাটা নদী গর্ভে চলে যেতো। আগামী বর্ষা মৌসুমে হুমকির মুখে পড়বে, তাই পানি উন্নয়ন বোর্ডকে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমরা জানিয়েছি।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম-রাঙামাটি (এন-১০৬) জাতীয় মহাসড়কে রাউজান-হাটাহাজারী সংযোগ হালদা সেতুটি ২০১৫ সালের ১৩ জুলাই আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন রাউজানের সাংসদ এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী।

জয়নিউজ/শফিউল/বিআর
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...