নতুনের সঙ্গে পুরনোর মিশে যাওয়ার এক দিন

0

কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরিয়েছেন দুই দশক আগে। আবার কেউ এখনো এখানে অধ্যয়নে আছেন। তবে পুরনো আর নতুন সবাই আজ এক কাতারে। এ যেন পুরনোদের সঙ্গে নতুনদের মিশে যাওয়ার দিন।

বলছিলাম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের কথা। বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) থেকে এ বিভাগের শিক্ষার্থীরা উদ্‌যাপন করছে ‘রজত জয়ন্তী’ উৎসব।

দু’দিনব্যাপী আয়োজনের শুরুটা ছিল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় বের করা বর্ণিল র‌্যালিতে। এরপর বেলুন উড়িয়ে উৎসবের উদ্বোধন করেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নান এমপি ও চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার।

পরে চবি সমাজবিজ্ঞান অনুষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নান এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন চবি সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. ফরিদ উদ্দিন আহামেদ, পিএইচপি ফ্যামিলির চেয়ারম্যান সুফি মুহাম্মদ মিজানুর রহমান এবং বিশ্বদ্যালয় কেন্দ্রীয় এলামনাই এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম।

অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা মন্ত্রী ও চবি উপাচার্য অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে রজত জয়ন্তী উপলক্ষে প্রকাশিত স্যুভেনিয়র ‘সংযোগ’-এর মোড়ক উন্মোচন করেন।

চবি যোগযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি মো. আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে এলামনাই এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হামিদ উল্লাহ।

বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফারজানা করিম এবং মাছরাঙা টিভি, চট্টগ্রামের ব্যুরোপ্রধান তাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন বিভাগের প্রফেসর মোহাম্মদ আলী আজগর চৌধুরী এবং যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের এলামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি শিমুল নজরুল।

পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নান এমপি বলেন, শেকড়ের টানে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা আজ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সতীর্থদের সাথে মিলিত হয়েছে। এ মিলনমেলা তাদের বন্ধুত্বের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে।

তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকরা হচ্ছে সমাজের দর্পণ। সাংবাদিকরাই সমাজের সকল অন্যায়-অসঙ্গতির সত্য-নির্ভুল ও বস্তুনিষ্ঠভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে দেশ-জাতিকে সঠিক পথের নির্দেশনা দিতে পারে।

চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার বলেন, দীর্ঘ ২৫ বছর অতিক্রম করে রজতজয়ন্তী উৎসব পালন করছে যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ। এই উৎসব বিভাগের প্রাক্তন ও নবীনদের এক মহামিলন উৎসব। এতে প্রাক্তনরা যেমন তাঁদের সতীর্থদের খুঁজে পেয়ে আনন্দে উদ্বেলিত হয়; তেমনি নবীনরাও প্রবীণদের কাছে পেয়ে, তাদের কথা শুনে হয় অনুপ্রাণিত।

জয়নিউজ

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...