যুদ্ধজাহাজে আমজনতা

0

নৌবাহিনীর প্রতি আলাদা একটা ঝোঁক কাজ করে। ইচ্ছে ছিল এই বাহিনীতে নিজের ক্যারিয়ার গড়ার। কিন্তু তা আর হয়ে ওঠেনি। এই বাহিনীর বা এদের কাজ সম্পর্কে জানার আগ্রহ সবসময় ছিল। আজ এখানে নিজ চোখে বিভিন্ন কিছু দেখে ও শুনে অনেক ভালো লাগছে। মনে হচ্ছে, যেন নিজেই কোনো এক যুদ্ধের দিনে অবস্থান করছি।

কথাগুলো বলছিলেন যুদ্ধজাহাজ দেখতে আসা স্নাতক পড়ুয়া শিক্ষার্থী সোম্যজিৎ সরকার।

নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ কাছ থেকে দেখে সোমজিতের মতো অনেকেই খুঁজেছেন যুদ্ধদিন।

যথাযোগ্য মর্যাদায় চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলে বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ‘বানৌজা সমুদ্র অভিযান’ সর্বসাধারণের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়।

সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুর ২টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত কর্ণফুলী নদীর নেভাল জেটিতে জাহাজটি পরিদর্শন করে নানা বয়সের মানুষ।

এসময় চারশ’রও বেশি দর্শনার্থী জাহাজে উঠে ঘুরে দেখার সুযোগ পান। নৌবাহিনীর জাহাজ প্রদর্শনের খবর শুনে অনেকে বেশ দূর থেকেও এসেছিলেন এখানে। এসময় উৎসাহী মানুষের পদচারণায় মুখরিত ছিল পুরো জাহাজ।

আগ্রহী দর্শনার্থীদের নৌবাহিনীর সদস্যরা পুরো জাহাজটি সম্পর্কে বর্ণনা দেন। একে একে ধারণা দেন কোন যন্ত্রটি কিভাবে কাজ করে বা কিভাবে এর গতিপথ নির্ধারিত হয়। আবার কিভাবে জাহাজে জাহাজে সময় কাটান তাও জানান তারা।

ক্যাপ্টেন এম জহিরুল হক বলেন, ১৯৭১ সালের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী একসঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তুলে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছে। এ দিবসের মাধ্যমে আমরা চেষ্টা করি সাধারণ মানুষের সঙ্গে একটা সর্ম্পক করার। তাই সর্বসাধারণের জন্য যুদ্ধজাহাজ পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়। এতে তারা যুদ্ধজাহাজ দেখার এবং এর সম্পকের্ ধারণা লাভ করে।

বিজয় দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলের মসজিদে স্বাধীনতাযুদ্ধে শাহাদত বরণকারী সব মুক্তিযোদ্ধার রুহের মাগফেরাত, দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

এছাড়া নৌবাহিনী পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বিশেষ আলোচনা, কুইজ, রচনা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জয়নিউজ/বিআর
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...