যুবকের মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি পরিকল্পিত হত্যা

0

বাকলিয়ার রাজাখালী এলাকা থেকে মো. তৌহিদুল ইসলাম আবির (২৮) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পরিবারের অভিযোগ পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডটি প্রথমে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বলে লাশ হস্তান্তর করা হলেও তাদের অভিযোগের পরে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। নিহত তৌহিদুল সাতকানিয়া উপজেলার ছদাহা ইউনিয়নের মাইজপাড়া এলাকার আশরাফ মিয়ার ছেলে।

এ ঘটনায় বুধবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে নিহত তৌহিদুল ইসলামের ভাই মো. সেলিম বাদি হয়ে বাকলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ ঘটনায় কুলছুমা বেগম (৩৬) নামে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। তার বাড়ি বাঁশখালী উপজেলা ছনুয়া গ্রামে।

তৌহিদুল ইসলামের চাচা আরাফাত আলী চৌধুরী জয়নিউজকে বলেন, আবির রাজাখালী এলাকায় একটি বাসায় সাবলেট থাকত। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ওই বাসার মহিলা ফোন করে তৌহিদুল ইসলামের মৃত্যুর বিষয়টি আমাদের জানান।

ওই মহিলা আমাদের মৃত্যুর সঠিক তথ্য দিতে পারছিল না। আমরা ধারণা করছি, তৌহিদুল ইসলামকে হত্যা করা হয়েছে। তার ডান হাতে ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

তৌহিদুল ইসলামের ভাই মান্নান জয়নিউজকে বলেন, আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। কিন্ত প্রথমে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে বলে আমাদেরকে জানানো হয়। কিন্ত আমরা তার লাশে বেশ কয়েকটি আঘাতের চিহ্ন দেখি। তাই আমরা থানায় অভিযোগ করে লাশের ময়নাতদন্ত করিয়েছি। আমাদের ধারনা আমার ভাই যে বাসায় সাবলেট থাকতো ওই মহিলাই হত্যা করেছে আমার ভাইকে।

বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নেজাম উদ্দিন জয়নিউজকে বলেন, তৌহিদুল ইসলাম নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বুধবার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে তৌহিদুল ইসলামের ময়নাতদন্ত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে কুলছুমা বেগম (৩৬) নামে অই নারীকে থানায় এনে আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করছি। মহিলা এখন থানায় আছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর তার মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। তবে তৌহিদুল ইসলামের শরীরের কয়েকটি জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

জয়নিউজ/রিফাত/বিআর

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...