দুই চোখ তুলে, কান কেটে বস্তাবন্দী করা হলো মাদ্রাসাছাত্রীকে

0

চোখ দুটি উপড়ে ফেলা হয়েছে। কেটে ফেলা হয়েছে বাম কান। বুকে রয়েছে ধারালো অস্ত্রের আঘাত।

বস্তাবন্দী ক্ষত-বিক্ষত এই লাশটি ‍উদ্ধার করা হয়েছে কক্সবাজারের পেকুয়া। লাশটি আয়েশা বেগম (১৪) নামে এক মাদ্রাসাছাত্রীর

শুক্রবার (২২ নভেম্বর) সকাল ৭টার দিকে মগনামা ইউনিয়নের ফতেহ আলী মারপাড়া থেকে থানা পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।

আয়েশা বেগম ওই গ্রামের জামাল হোসেনের মেয়ে। সে মগনামা মাঝিরপাড়া শাহ রশিদিয়া আলীম মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী।

আয়েশার মা নছুমা খাতুন প্রকাশ পুতু জয়নিউজকে বলেন, বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) সকালে প্রতিদিনের মতো মাদ্রাসায় যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয় আয়েশা। সন্ধ্যা পর্যন্ত বাড়ি ফিরে না আসায় বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নিই। সকালে বস্তার ভেতর তার লাশ পাওয়া যায়।

তিনি বলেন, আমার মেয়েকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। আমি এ হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

পেকুয়া থানার এসআই আতিকুর রহমান জানান, ইউপি চেয়ারম্যান ওয়াসিমের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ মগনামা বিসমিল্লাহ সড়কের কলিম উল্লাহর বাড়ি সংলগ্ন জায়গা থেকে বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করে। শিক্ষার্থী আয়েশার চোখ দুটি উপড়ে ফেলা হয়েছে। বাম কান কেটে ফেলেছে। বুকে ধারালো অস্ত্রের জখম রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে প্রেমঘটিত কারণে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। তবে এখনো বিস্তারিত বলা যাবে না।

মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মৌলানা মোহাম্মদ নুর জয়নিউজকে বলেন, আয়েশা আমার মাদ্রাসার নবম শ্রেণির নিয়মিত ছাত্রী। তবে বৃহস্পতিবার সে মাদ্রাসায় অনুপস্থিত ছিল।

পেকুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান বলেন, লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।  রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত আপাতত কিছু বলা যাবে না। হত্যার ক্লু উদ্‌ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।

জয়নিউজ/গিয়াস

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...