চট্টগ্রামে ১৩ জনের করোনা শনাক্ত

0

চট্টগ্রামে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় নতুন ১৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। সংক্রমণ হার ৮ দশমিক ৯০ শতাংশ।

চট্টগ্রামের করোনা সংক্রান্ত হালনাগাদ পরিস্থিতি নিয়ে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রেরিত আজকের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের রিপোর্টে দেখা যায়, ফৌজদারহাট বিআইটিআইডি ও নগরীর নয় ল্যাবরেটরি এবং এন্টিজেন টেস্টে গতকাল ১৪৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নতুন আক্রান্ত ১৩ জনের মধ্যে শহরের বাসিন্দা ৬ এবং বিভিন্ন উপজেলার ৭ জন। উপজেলার ৭ জনের মধ্যে হাটহাজারীতে ২ জন এবং রাঙ্গুনিয়া, রাউজান, সীতাকুন্ড, বাঁশখালী ও আনোয়ারায় একজন করে রয়েছেন। জেলায় করোনাভাইরাসে মোট শনাক্ত ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ২৯ হাজার ৪৩৪ জনে। এর মধ্যে শহরের বাসিন্দা ৯৪ হাজার ৩৭৬ জন এবং গ্রামের ৩৫ হাজার ৫৮ জন। করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৩৬৭ জন রয়েছে। এতে শহরের বাসিন্দা ৭৩৭ জন ও গ্রামের ৬৩০ জন।

ল্যাবভিত্তিক রিপোর্টে দেখা যায়, ফৌজদারহাটস্থ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবে গতকাল ১৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে শহরের একজন পজিটিভ শনাক্ত হন। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল (চমেকহা) ল্যাবে ২১ নমুনার মধ্যে শহরের এক ও গ্রামের ২ টিতে জীবাণুর উপস্থিতি চিহ্নিত হয়। আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালের আরটিআরএলে ১১ জনের নমুনা পরীক্ষা করলে শহর ও গ্রামের একজন করে আক্রান্ত পাওয়া যায়।

বেসরকারি ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরি শেভরনে ২৮ জনের নমুনায় শহরের একজনের দেহে ভাইরাসের অস্থিত্ব মিলে। ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ২১ নমুনায় গ্রামের একটিতে ভাইরাসের উপস্থিতি চিহ্নিত হয়। মেট্রোপলিটন হাসপাতাল ল্যাবে ৬ নমুনা পরীক্ষায় শহরের ২ টিতে সংক্রমণ ধরা পড়ে। এছাড়া, আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে ১১, মেডিকেল সেন্টার হাসপাতাল ল্যাবে ৫, এপিক হেলথ কেয়ারে ৮ ও এশিয়ান স্পেশালাইজড হাসপাতালে ১১ নমুনার পরীক্ষা হয়। চার ল্যাবে ৩৫ নমুনার নেগেটিভ রেজাল্ট আসে। নমুনা সংগ্রহের বিভিন্ন কেন্দ্রে ৯ জনের এন্টিজেন টেস্ট করা হলে গ্রামের ৩ জন করোনায় আক্রান্ত বলে জানানো হয়।

এদিন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি), চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি এন্ড এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু), ল্যাব এইড ও এভারকেয়ার হসপিটাল ল্যাবে কোনো নমুনা পরীক্ষা হয়নি।

ল্যাবভিত্তিক রিপোর্ট বিশ্লেষণে সংক্রমণ হার পাওয়া যায়, বিআইটিআইডি’তে ৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ, চমেকহা’য় ১৪ দশমিক ২৮, আরটিআরএলে ১৮ দশমিক ১৮, শেভরনে ৩ দশমিক ৫৭, ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ৪ দশমিক ৭৬, মেট্রোপলিটন হাসপাতাল ল্যাবে ৩৩ দশমিক ৩৩ এবং আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতাল, মেডিকেল সেন্টার হাসপাতাল, এপিক হেলথ কেয়ার ও এশিয়ান স্পেশালাইজড হাসপাতাল ল্যাবে ০ শতাংশ এবং এন্টিজেন টেস্টে ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

জেএন/এমআর

KSRM
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...
×KSRM