সবজির বাজারে ক্রেতাদের স্বস্তি-কমেছে ইলিশের দামও

0

সপ্তাহ ঘুরে বন্ধের দিন শুক্রবার। আজ এদিনে পুরো সপ্তাহের বাজার করে ঘরে মজুদ রাখাটাই সংসার জীবনে চাকরিজীবিদের প্রধান একটি কর্মযজ্ঞ।

তেমনি এক চাকরিজীবি রাহেলা খাতুন। চট্টগ্রামের জামালখান থেকে তিনি এসেছেন নগরীর অন্যতম বৃহৎ কাঁচা বাজার রেয়াজউদ্দিন বাজারে। খানিকটা বাজার ঘোরার পর তিনিই জানিয়েছে এসপ্তাহের সবজির বাজারে সস্তি লাগছে।

প্রায় সবজির দাম আগের সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা কমেছে। তবে লাউ আর কচুর মুখির দামটা একটু বেশি রাখছে বিক্রেতারা। তিনি বলেছেন, ৫০ টাকা দিয়ে একটি লাউ ও ৫০ টাকা দিয়ে একটি কচুর মুখি কিনেছেন।

বাজার ঘুরে সরেজমিনে দেখা যায়, সরবরাহ বাড়ায় বাজারে সবজির দাম কমতে শুরু করেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে ইলিশের দাম কেজিতে ৩০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। এতে অনেকটা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছেন ক্রেতারা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত সপ্তাহের তুলনায় অধিকাংশ সবজির দাম কমেছে। বাজারে এখন প্রতি কেজি ঢেঁড়স ৩০ টাকা, পটোল ৩০-৩৫ টাকা, বেগুন ৩০-৩৫ টাকা, টমেটো ৮০-৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আজ (২৯ জুলাই) শুক্রবারের বাজারে করলা ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, কাঁকরোল ৩৫ টাকা, শসা ৪৫ টাকা, গাজর ৯০ টাকা, ধুন্দল ৩০ টাকা, চিচিঙ্গা ৩০ টাকা, ঝিঙা ৪০ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া প্রকারভেদে প্রতি আটি শাক হচ্ছে ১৫-২০ টাকায়। তবে লাউয়ের শাক প্রতি আটি ৩০ টাকা।

এদিকে বাজারে ইলিশের সরবরাহ বাড়ায় দাম কিছুটা কমেছে। এক কেজি ওজনের ইলিশের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা।

৭০০-৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৭০০-৮০০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ৮০০-৯০০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। আর ৪০০-৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৪৫০-৫০০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ৬০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছিল।

ইলিশের দামের বিষয়ে কাজিড় দেউড়ি বাজারের ব্যবসায়ী শাহীন বলেন, কয়েক দিন ধরে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ায় বাজারে সরবরাহ বেড়েছে। এতে ইলিশের দাম কিছুটা কমেছে। সামনে দাম আরও কমতে পারে।

মুরগির বাজারে গিয়ে দেখা যায়, ব্যবসায়ীরা ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি করছেন ১৪০ টাকায়। আর পাকিস্তানি কক বা সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫০-২৬০ টাকায়।

সপ্তাহের ব্যবধানে মুরগির দামে পরিবর্তন আসেনি। মুরগির মতো দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ডিমের। এক ডজন ডিম ১১০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৪৫০ টাকা। তেলাপিয়া, পাঙাশ মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৬০-১৮০ টাকায়। শিং ও পাবদা মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৪৬০ টাকা। কৈ মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০-২৫০ টাকায়।

জেএন/পিআর

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...