খুলছে অফিস-কারখানা, ফের বাড়বে লোডশেডিং

0

পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতে অফিস, কল-কারখানা বন্ধ থাকায় লোড শেডিংয়ের ভোগান্তি ছিলই না বলা যায়। তবে ছুটি শেষে গতকাল মঙ্গলবার থেকে অফিস, ব্যাংকসহ বিভিন্ন শিল্প-কারখানা খুলতে শুরু করেছে। এতে বিদ্যুতের চাহিদা ফের,বেড়ে যাওয়ায় বাড়তে শুরু করেছে লোডশেডিংও।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) সূত্রে জানা যায়, ঈদের ছুটির আগে দেশে বিদ্যুতের দৈনিক গড় চাহিদা ছিল সাড়ে ১৪ হাজার মেগাওয়াট। সেখানে বিপিডিবি সরবরাহ করতে পারত গড়ে ১২ হাজার থেকে সাড়ে ১২ হাজার মেগাওয়াট। তাই রাজধানীসহ পুরো দেশেই লোড শেডিং ছিল। দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই আবারও সেই পরিস্থিতির মুখে পড়তে হবে।

বিপিডিবির পরিচালক সাইফুল ইসলাম জানান, অফিস-আদালত চালু হওয়ায় বিদ্যুতের চাহিদা বেড়েছে। মঙ্গলবার ১২ হাজার ৫০০ মেগাওয়াটের চাহিদা ছিল। পর্যাপ্ত গ্যাস থাকায় বিদ্যুৎ বিতরণের সক্ষমতা ছিল প্রায় ১৪ হাজার মেগাওয়াট। তবে শিল্প-কারখানাগুলো পুরোপুরিভাবে চালু হলে তখন আবার গ্যাসের সংকট দেখা দেবে। তখন গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুেকন্দ্রগুলো থেকে চাহিদামতো বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে না।

চলমান পরিস্থিতিতে নির্দিষ্ট সময় মেনে লোড শেডিংয়ের সময় নির্ধারণ করার কাজ শুরু করেছে বিদ্যুৎ বিতরণকারী কোম্পানিগুলো। বিদ্যুৎ খাতের চলমান সংকট নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গত বৃহস্পতিবার উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সংকট মোকাবেলায় সাপ্তাহিক কর্মঘণ্টা কমানো এবং ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ চালুর জন্য জনপ্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি দৈনিক কর্মঘণ্টা দুই ঘণ্টা কমানোর সুপারিশও করা হবে।

পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার মোট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে দুই হাজার ৪৪০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে এলএনজি থেকে সরবরাহ করা হয়েছে ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট। বাকিটুকু সরবরাহ করা হয়েছে দেশীয় উৎপাদিত গ্যাস থেকে।

ঈদের ছুটির আগে থেকে সারা দেশেই লোড শেডিং হচ্ছে। গ্যাসসংকটের কারণে বেশ কিছু বিদ্যুেকন্দ্র বন্ধ থাকায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুেকন্দ্রগুলোতে গ্যাস সরবরাহ করা যাচ্ছে না।

জয়নিউজ/পিডি

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...